উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস। বুধবার সকালে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার উদ্যোগে এবং সংগঠনের সভাপতি শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে এ শোভাযাত্রা হয়। ভোরের আলো ফোটার আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ সুফিবাদী জনতা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেন এবং একপর্যায়ে পুরো উদ্যান বিশাল জনসমাগমে পরিণত হয়।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও সচিবালয় সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রার অগ্রভাগে থাকা বিশাল ব্যানারে ‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’ লেখা ছিল এবং অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল কালেমা খচিত পতাকা, প্ল্যাকার্ড ও রঙিন ফেস্টুন। সাদা পোশাক ও টুপি পরা হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক উৎসবমুখর হয়ে ওঠে এবং আশপাশের এলাকা ধর্মীয় স্লোগানে মুখরিত হয়।
মহাসমাবেশে নারী অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিও ছিল অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ও চোখে পড়ার মতো। ধর্মীয় আবেগ ও শান্তির বার্তায় মুখর এ আয়োজন শেষে দেশ, জাতি, শান্তি ও মানবতার কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের বর্তমান ইমাম শাহ সুফি ড. শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী।
বিএসপি চেয়ারম্যান বলেন যে ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য শুধু আনুষ্ঠানিক উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশে শাহজাদা সৈয়দ মেহেবুবে মইনুদ্দীন, শাহজাদা সৈয়দ মাশুক মইনুদ্দীন, প্রফেসর এমিরেটস ড. আনিসুজ্জামান, আখতারুজ্জামানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।