উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ‘বাংলাদেশ প্রাণী প্রজনন আইন, ২০২৬’-এর একটি খসড়া তৈরি করেছে। নতুন এই আইনের আওতায় বুল স্টেশন, কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, আইভিএফ ল্যাব ও সিমেন ব্যাংকের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনুমোদনহীন ষাঁড় থেকে সিমেন উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, নিবন্ধিত সেবার মিথ্যা তথ্য প্রচার, নিম্নমানের উপকরণ বিক্রি কিংবা দেশীয় প্রজনন সম্পদ পাচারের মতো অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একই অপরাধ বারবার করলে শাস্তির মাত্রা দ্বিগুণ হবে। এছাড়া অপরাধে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও পরিবহন বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা আদালতের থাকবে।
নতুন আইন বাস্তবায়নে ১৭ সদস্যের একটি ‘জাতীয় কারিগরি নিয়ন্ত্রক কমিটি’ গঠন করা হবে, যারা সরেজমিনে মান যাচাই করে লাইসেন্সের সুপারিশ করবে। বিদ্যমান প্রজনন প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইন কার্যকর হওয়ার এক বছরের মধ্যে নতুন লাইসেন্স নিতে হবে। তবে যেকোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
নিবন্ধনের ক্ষেত্রে উপযুক্ত অবকাঠামো, প্রশিক্ষিত জনবল এবং জৈবনিরাপত্তার শর্ত পূরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোম্পানির কোনো অনিয়মের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা দায়ী থাকবেন, যদি না তারা প্রমাণ করতে পারেন যে অপরাধটি তাদের অজ্ঞাতে হয়েছে। আইনটির খসড়া নিয়ে বর্তমানে সংশ্লিষ্টদের মতামত চাওয়া হয়েছে।