উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আমন ধানের মৌসুমে সারা দেশে সার নিয়ে চলা অস্থিরতা ও সংকটের সমাধানে জরুরি সার বিতরণ টাস্কফোর্স গঠনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষক–মজুর সংহতি। সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, সরকার-নির্ধারিত পরিবেশকেরা (ডিলার) ভর্তুকির সার বাইরে কালোবাজারে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে গোপন মজুত গড়ে তুলেছেন। ফলে সাধারণ কৃষকেরা অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
আজ সোমবার এক বিবৃতিতে এসব কথা জানান কৃষক-মজুর সংহতির সভাপতি দেওয়ান আবদুর রশিদ (নীলু) ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম। ক্ষমতাসীন বিএনপি জোটের শরিক গণসংহতি আন্দোলনের এই কৃষক সংগঠনটি সার সরবরাহের চলমান অব্যবস্থাপনা, আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা ও দুর্নীতির তীব্র নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে দেশে খাদ্যনিরাপত্তার স্বার্থে তারা অবিলম্বে পাঁচটি দাবি জানিয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ১০ দিন ধরে রাজশাহী, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, কুড়িগ্রাম, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াসহ বোরো-আমন প্রধান এলাকায় সার নিয়ে অভিযোগ উঠলেও কৃষিমন্ত্রী ও সচিব তা অস্বীকার করে গেছেন। পর্যাপ্ত মজুতের দাবি করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এরই মধ্যে গতকাল রোববার কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা এক ডিলারের মজুত ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে গেছেন।
সংকট নিরসনে সংগঠনটির দাবিগুলো হলো—কৃষক প্রতিনিধি যুক্ত করে জরুরি টাস্কফোর্স গঠন, অভিযুক্ত ডিলার ও কর্মকর্তাদের শাস্তির ব্যবস্থা এবং চীন, রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে জরুরি ভিত্তিতে সার আমদানি। এ ছাড়া সিন্ডিকেটকারী ডিলারদের চুক্তি বাতিল, খোলাবাজারে সরাসরি সার বিক্রি, কিউআর কোড দিয়ে ডিজিটাল মনিটরিং এবং ক্রমান্বয়ে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সারের ভর্তুকি সরাসরি নগদে পরিশোধের আহ্বান জানানো হয়।