উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান শিপিং চ্যানেল ও বহির্নোঙরসহ বিভিন্ন নৌপথে অবৈধভাবে মাছ ধরার জাল বসানো কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ ও জেলেদের কারাদণ্ড দেওয়া হলেও, ফের জাল বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে লাইটার জাহাজের প্রপেলারে জাল জড়িয়ে ইঞ্জিন বিকল হওয়া এবং শ্রমিকদের সঙ্গে জেলেদের সংঘাতের ঘটনা বাড়ছে।
তবে ধারাবাহিক অভিযানের পরও জাল বসানো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন লাইটার জাহাজের শ্রমিকরা। জেলে পাড়া-পারকি বিচ, শিপ চ্যানেল-কুতুবদিয়া ও সি বিচ-ভাসানচরসহ বিভিন্ন নৌ-চ্যানেলে অবৈধ জাল বসানো বন্ধ না হলে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। আগামী ২৫ আগস্টের মধ্যে শিপিং চ্যানেল থেকে জেলেদের জাল ক্লিয়ার না করলে কর্ম বিরতির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন।
লাইটার জাহাজের মাস্টার সবুজ মিয়া জানান, মাদার ভ্যাসেলের চারপাশে এবং চট্টগ্রাম থেকে হাতিয়া রুটে জাহাজ চলাচলের পথে যেভাবে অবাধে জাল পেতে রাখা হয়, তা ক্যামেরার ফ্রেমে পুরোপুরি বোঝানো সম্ভব নয়। প্রতিনিয়ত প্রপেলারে জাল পেঁচিয়ে ইঞ্জিন বিকল হওয়ার এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছেন তারা। নাবিক সোহেল রানা জানান, নাবিকদের আন্দোলনের কারণে অভিযান শুরু হলেও নৌযান চলাচলের চ্যানেলে অবৈধ জাল স্থাপন পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, তাদের নিয়মিত অভিযান চলছে এবং নৌ চ্যানেল নিরাপদ রাখতে অবৈধ জাল অপসারণ করা হচ্ছে। গত ১২ আগস্ট ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ২৮ জনকে আটক করা হয় এবং ২৪ জনকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর ১৫, ২০ ও সর্বশেষ ২২ আগস্ট বিশেষ অভিযান চালিয়ে অবৈধ ও বিপজ্জনকভাবে স্থাপিত বিপুল পরিমাণ মাছ ধরার জাল এবং সরঞ্জাম জব্দ ও অপসারণ করা হয়।