উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রায় এক হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ের মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬ এখন মারাত্মক কারিগরি ও কাঠামোগত ঝুঁকিতে রয়েছে। আদালতের নির্দেশে গঠিত কমিটির মূল্যায়নে প্রকল্পটির ৭৩০টি বেয়ারিং প্যাডে অতিরিক্ত বিকৃতিসহ ৯টি গুরুতর ক্ষেত্র চিহ্নিত হয়েছে। প্রতিবেদনে ২৩ দশমিক ২৮ শতাংশ বেয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ উল্লেখ করে তা দ্রুত প্রতিস্থাপনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক উদ্বোধনের তাগিদেই চার লাখ যাত্রীর জীবন আজ ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। কারিগরি পরীক্ষা ও স্বাধীন আন্তর্জাতিক যাচাই অসম্পূর্ণ রেখে তড়িঘড়ি ট্রেন চালুর কারণেই আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফার্মগেট স্টেশনে বেয়ারিং প্যাড খসে পথচারীর মৃত্যুর পরই আদালতের হস্তক্ষেপে এই তদন্ত পরিচালিত হয়।
দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনের গতি কমানো হলেও তা কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে না। ডিএমটিসিএলকে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সংস্থাকে যুক্ত করে পুরো ভায়াডাক্ট ও রোলিং-স্টকের নিরাপত্তা অডিট করতে হবে। ত্রুটিপূর্ণ প্যাড প্রতিস্থাপন এবং পিয়ার ও গার্ডারের ফাটলের স্থায়ী বৈজ্ঞানিক সমাধান নিশ্চিত করা জরুরি।
স্টেশনের বৈদ্যুতিক কক্ষে পানি প্রবেশ রোধ এবং স্পার্কিং ঝুঁকি দূর করে সার্বক্ষণিক কাঠামোগত মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। পাশাপাশি যাদের গাফিলতিতে এই জাতীয় সম্পদ ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করতে হবে। জোড়াতালির সংস্কার বাদ দিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের পূর্ণ নিরাপত্তা ফেরাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।