উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী দখলদারদের পক্ষে আইনজীবীদের অবস্থানের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ১০টি পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন। একই সঙ্গে নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে কর্ণফুলী নদীকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনগুলোর নেতারা। শুক্রবার বেলা ১১টায় নগরের ফিরিঙ্গীবাজার ব্রিজঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, কর্ণফুলী নদী দখলদার জাতীয় মৎস্যজীবী সমবায় ও চট্টগ্রাম বন্দরের পক্ষে হাইকোর্টে অবস্থান নিয়ে জনস্বার্থে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। দখলদারদের পক্ষে এ ধরনের অবস্থান নদী দখল ও দূষণকে উৎসাহিত করছে। বক্তারা জেলা প্রশাসনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নদীর তীরের ২ হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসক মাহফুজুর রহমান বলেন, আগে জানতাম কর্ণফুলী নদীর সব দখলদার আওয়ামী লীগ। এখন দেখছি সবাই বিএনপি হয়ে গেছে। দেশের স্বার্থ লুট ও পরিবেশ-প্রতিবেশ ধ্বংসে লুটেরারা ক্ষমতার ছায়ায় থাকে এটাই তার বড় প্রমাণ।
মানববন্ধনে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো—কর্ণফুলী নদীর তীরের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নদীর তীরকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা এবং সেখানে দেশীয় প্রজাতির ফলজ ও ঔষধি গাছের বাগান তৈরি করা। দখলদারদের পক্ষে আইনজীবীদের অবস্থান অব্যাহত থাকলে নৌ ধর্মঘটসহ প্রতীকী ‘কর্ণফুলী ভরাট’ কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি চৌধুরী ফরিদ ও সাধারণ সম্পাদক আলীউর রহমানসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন। বক্তারা জানান, দখলদারদের পক্ষে অতীতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা আইনি লড়াইয়ে পরাজিত হওয়ার পর, বর্তমানে অন্য প্রভাবশালী আইনজীবীরা তাদের পক্ষে লড়ছেন, যা দেশের স্বার্থবিরোধী।