উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাংলাদেশে বসবাসরত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমাল, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি)। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এই দাবি তুলে ধরেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী। তিনি বলেন, বিএসপির এই উদ্যোগ আগামী দিনে সনাতন সমাজকে পথ দেখাবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আট দফা দাবি পেশ করা হলেও দীর্ঘ ছয় মাসেও কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সুব্রত চৌধুরী আরও অভিযোগ করেন, অ্যাটর্নি অফিসে প্রায় ৩০০ জন নিয়োগ পেলেও সেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনো প্রতিনিধি নেই। একইভাবে ৫০ জনের বেশি বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রেও দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায় সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে বৈষম্যের অভিযোগ তদন্তের দাবি জানান। তিনি বলেন, ডিসি, এসপি ও সচিবসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সংবিধানসম্মত দায়িত্ব।
মতবিনিময় সভায় সংগঠনের সদস্য শয়ান বালা সংখ্যালঘু নির্যাতনের দ্রুত বিচার, উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। তিনি সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও দখল-হয়রানি বন্ধে রাষ্ট্রের কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানান।