উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম নগরীতে মাসব্যাপী বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালে সেন্ট প্ল্যাসিডস স্কুলের সামনে থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিহ্নিত নগরীর আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। চসিক জানিয়েছে, ২, ৩, ১৭, ১৮, ১৯, ৩২, ৩৪ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় অতিরিক্ত জনবল দিয়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও লার্ভা নিধন করা হচ্ছে।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আশরাফুল আমিন জানান, গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে বিটিআই ব্যবহার করায় গত বছরের তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমেছে। গত বছর এ সময়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আটশো ছাড়িয়ে গেলেও চলতি বছরে তা পাঁচশো থেকে সাড়ে পাঁচশোর মধ্যে রয়েছে। গত বছর একই সময়ে আটজনের মৃত্যু হলেও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় শতাধিক কর্মীকে মশক নিধন কার্যক্রমের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
মশক নিধন কার্যক্রম তদারকিতে চসিকের দশজন ম্যাজিস্ট্রেটকে বিভিন্ন অঞ্চলে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং আগামী এক মাস তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবেন। কোথাও ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও কারাদণ্ডসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নালা-নর্দমা, ড্রেন ও নির্মাণাধীন ভবন নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পুরো কার্যক্রম মনিটরিং করছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।