উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ব্যালটের গোপনীয়তার চেয়ে স্বচ্ছতাকে গুরুত্ব দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে ভোটাররা কে কাকে ভোট দিচ্ছেন তা দৃশ্যমান থাকবে। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দীন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করার পর সংবিধান ও আইন অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৯৯১ সালের পর সংসদীয় পদ্ধতিতে এই প্রথম একাধিক প্রার্থীর মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ড. অলি আহমদ এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪৯ জন। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৫টার পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে ভোট গণনা শুরু হবে এবং ফলাফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন সিইসি নিজে। ভিআইপি ভোটারদের ভোটদান এবং ফলাফল গণনার পর্বটি বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংসদের বৈঠক ডাকার মতো নিয়মিত বিষয় এবং কিছু ব্যালট ও স্টেশনরি ছাড়া কমিশনের আলাদা কোনো বড় ধরনের আর্থিক ব্যয় হয়নি। সিইসি নাসির উদ্দীন আশা প্রকাশ করেন, সবার আন্তরিক সহযোগিতায় নির্বাচন কমিশন একটি অত্যন্ত সুন্দর, স্বচ্ছ ও ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে সক্ষম হবে।