উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোবাইলে কথা বলার খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় বর্তমানে নির্ধারিত ভয়েস কলের সর্বনিম্ন রেট বা ‘ফ্লোর প্রাইস’ কমানোর বিষয়ে কাজ চলছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে আয়োজিত এক গণশুনানিতে গ্রাহকের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য দেওয়া হয়। বর্তমানে ভয়েস কলের সর্বনিম্ন ট্যারিফ ৪৫ পয়সা এবং সর্বোচ্চ ২ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। বিটিআরসি জানায়, গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই সর্বনিম্ন রেট কমানোর প্রক্রিয়া চলছে।
গণশুনানিতে বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার মাহমুদ হোসেন সভাপতিত্ব করেন। এতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত কমিশনে মোট ১৩ হাজার ৯টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ২৭৯টি বা ৮৬ দশমিক ৭০ শতাংশ অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ে শতভাগ অভিযোগ নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কমিশন।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় নেটওয়ার্ক সচল রাখা এবং মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণ নিয়েও শুনানি করা হয়। বিটিআরসি জানায়, সারাদেশে টাওয়ারের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিতভাবে টাওয়ারের বিকিরণ পরিমাপ করা হয় এবং সেবার মান উন্নয়নে মাসভিত্তিক তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, হাওরসহ দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় নেটওয়ার্ক জোরদারে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই অপারেটর। এছাড়া সব ধরনের বার্তা পর্যায়ক্রমে মাস্কিংয়ের আওতায় আনা হচ্ছে এবং ডাটা প্যাকেজের শর্ত স্পষ্টভাবে গ্রাহকদের জানাতে অপারেটরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গণশুনানিতে জানানো হয়, এখন থেকে টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী প্রতি মাসে অন্তত একবার এ ধরনের শুনানির আয়োজন করা হবে। এবারের শুনানিতে অংশ নিতে অনলাইনে মোট ২ হাজার ৯৯০ জন গ্রাহক নিবন্ধন করেছিলেন। এর মাধ্যমে জনগণ সরাসরি তাদের মতামত ও অভিযোগ তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।