উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে বিষাক্ত গ্যাসে নয় শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ তড়িঘড়ি করে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেই দায় সেরেছে। এছাড়া নিহত নয়জনের মধ্যে আটজনের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আইনজীবীদের মতে, বড় ধরনের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ হস্তান্তর করা বড় ধরনের ভুল। এতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন কঠিন হয়ে পড়বে এবং মালিকপক্ষের অবহেলা বা দায়বদ্ধতা নির্ধারণের সুযোগ কমে যাবে। সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের দাবি, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় নিয়মিত মামলা করা সম্ভব হয়নি।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে গত ১৫ জুলাই চট্টগ্রাম শ্রম আদালতে মামলা করা হয়েছিল। এর মাত্র এক মাস পরেই এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সরকারি নোটিশ ও মামলা থাকার পরও কেন ইয়ার্ডে শ্রমিকদের কাজ করতে দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিস্ফোরক অধিদপ্তরের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, জাহাজের বদ্ধ চেম্বারে থাকা হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের বিষক্রিয়ায় শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ফেরদৌস স্টিল ইয়ার্ড সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।