উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, ১৬ আগস্ট দিনের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৫ হাজার ১৮০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যার চাহিদা ১৭ হাজার ৮৫০ মেগাওয়াট ধরা হলেও উৎপাদন ঘাটতি রয়েই গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনায়।
শ্রেণিকক্ষে বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্যান অচল হয়ে পড়ছে, ফলে তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষক আমজাদ হোসেন জানান, গরমে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা পাঠে মন বসাতে পারছে না, যা সামগ্রিক পাঠদান প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করছে। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা ক্লান্ত হয়ে ক্লাসে উপস্থিতিও কমিয়ে দিচ্ছে।
রাতের লোডশেডিং শিক্ষার্থীদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে, যার ফলে পরদিন স্কুলে তারা মানসিকভাবে ক্লান্ত থাকছে। অভিভাবকরাও সন্তানের পড়াশোনার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। গাজীপুরের নুজাইম ও আব্দুল আহাদের মতো অনেক শিক্ষার্থী জানায়, বিদ্যুৎ না থাকায় পড়ার রুটিন ঠিক রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, পরিস্থিতি উত্তরণে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই। তিনি সাধারণ মানুষের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে জ্বালানি সরবরাহ এবং সরকারি ভর্তুকি অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। লোডশেডিংয়ের এই ভয়াবহ মাত্রা গত পাঁচ বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।