উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশের কারাগারগুলোতে বন্দির সংখ্যা ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। মঙ্গলবার কারা অধিদপ্তরের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ৪৫ হাজার ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে প্রায় ৯৮ হাজার বন্দি রয়েছেন। অতিরিক্ত চাপের কারণে দুর্ধর্ষ আসামিদের সাধারণ বন্দিদের থেকে আলাদা করে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
কারা মহাপরিদর্শক আরও জানান, কারাগারে থাকা ৩৭৯ জন বিদেশি বন্দির মধ্যে ১৭০ জনের সাজা শেষ হলেও নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষায় তারা এখনো আটকে আছেন। এছাড়া গত দুই বছরে বিদেশি বন্দিদের ১৭টি মরদেহের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তিনটি মরদেহ হিমাগারে সংরক্ষিত রয়েছে। স্বজনরা নিতে না এলে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতাদের মৃত্যুর অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি নেই। ২০২৫ সালে কারাগারে ১৮৭ জন এবং চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১২২ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ১২২ জন বন্দি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং কারাগারে চিকিৎসকের সংকট রয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেন।
কারাগারে মোবাইল ফোনের ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বন্দিরা মোবাইল ব্যবহার করছে না এমন শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। তবে গত এক বছরে তিন হাজারের বেশি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। বর্তমানে দেশে মোট ৬০টি জেলা কারাগার ও ১৫টি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চলছে।