উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাজধানীতে পাইপলাইনে তীব্র গ্যাসসংকট ও এলপিজি সিলিন্ডারের চড়া দামের কারণে গৃহস্থালির রান্নায় এখন প্রধান বিকল্প হয়ে উঠেছে বৈদ্যুতিক চুলা ও রাইস কুকার। দিনের বেশির ভাগ সময় গ্যাসের চাপ না থাকায় কিংবা চুলা না জ্বলায় বাধ্য হয়েই নগরবাসী এসব যন্ত্রের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে বড় ইলেকট্রনিক্স মার্কেট থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতেও বৈদ্যুতিক চুলার বেচাকেনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
বাসাবাড়িতে ইনফ্রারেড ও ইন্ডাকশন চুলার ব্যবহার বাড়লেও তা গ্রাহকদের জন্য নতুন আর্থিক চাপ তৈরি করছে। গ্যাসের সংকট এড়াতে কেনা এসব চুলার কারণে পরিবারগুলোর মাসিক খরচে যুক্ত হচ্ছে অতিরিক্ত ৭০০ থেকে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল। তা ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনেও গ্যাসের ঘাটতি থাকায় লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি ডাবল চুলার উচ্চ ওয়াটেজ অনেক বাসাবাড়ির সাধারণ ওয়্যারিঙের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
গুলিস্তান ন্যাশনাল স্টেডিয়াম মার্কেটের ইলেকট্রনিকস প্রতিষ্ঠান ‘রেডিভিশন’-এর স্বত্বাধিকারী শুক্কুর আলী ঢাকা পোস্টকে বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমরা প্রায় ৪০ লাখ টাকার বৈদ্যুতিক চুলা বিক্রি করেছি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব এখনও তৈরি না হলেও বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে ধারণা করছি। এমনকি চলতি বছরের গত দেড় মাসে বেচাকেনা আরও ভালো।
সিজনে গ্যাসসংকট বাড়লে বিক্রি হুট করে বেড়ে যায়, তবে এখন বছরের ১২ মাসই কম-বেশি চুলা বিক্রি হচ্ছে। দেশে হোম অ্যাপ্লায়েন্স বা গৃহস্থালি ইলেকট্রনিক পণ্য প্রস্তুতকারী প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেরই বৈদ্যুতিক চুলা রয়েছে। দেশীয় প্রস্তুতকারকদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চুলাও বাজারে ব্যাপকভাবে পাওয়া যাচ্ছে।