উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাজধানীতে গ্যাসের নিয়মিত বিল পরিশোধ করেও গৃহস্থালির পাইপলাইনে চাহিদামতো চাপ পাচ্ছেন না বৈধ গ্রাহকেরা। দিনের বেশির ভাগ সময় চুলা গ্যাসহীন থাকায় কিংবা নিভু নিভু জ্বলতে থাকায় রান্না সারতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে পরিবারগুলোকে। ফলে বিকল্প হিসেবে বাইরে থেকে খাবার কেনা ও বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহারে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাসে অতিরিক্ত ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা বাড়তি ব্যয় হচ্ছে তীব্র গ্যাসসংকটে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষেরা।
সিলিন্ডার বা বৈদ্যুতিক চুলা কেনার সামর্থ্য না থাকায় অনেক পরিবারকে গভীর রাতে জেগে রান্নাবান্না করতে হচ্ছে, আবার কেউ ভরসা করছেন লাকড়ির মাটির চুলায়। সেবা না দিয়ে মাসশেষে বিল আদায়কে ‘জ্বালানি অবিচার’ হিসেবে অভিহিত করে ভুক্তভোগী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে দ্রুত এগিয়ে আসার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় সেবা না দিয়ে বৈধ গ্রাহকদের কাছ থেকে নিয়মিত বিল নেওয়া চরম অন্যায় ও অবিচার।