উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী যানবাহন শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা করার ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে হাইওয়ে পুলিশ। মহাসড়কের ৪৯০টি পিলারে অটোমেটিক ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিনির্ভর অটো ফাইন সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের অটো ফাইন সিস্টেম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
এ ব্যবস্থায় কোনো যানবাহন গতিসীমা অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল বা ওভারটেকিংসহ ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা আরোপ হবে। মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমে গাড়ির মালিকের কাছে জরিমানার তথ্য চলে যাবে এবং পরে যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী মালিক জরিমানা দিতে পারবেন। বারবার একই ধরনের অপরাধ করলে গাড়ির নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে বিআরটিএ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রথমে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত এই হাইওয়েকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে চাই। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যবস্থা চালুর পর কোনো ভুলত্রুটি ধরা পড়লে তা পর্যায়ক্রমে সংশোধন করে বাংলাদেশের সব মহাসড়কে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে। মহাসড়কে যে চাঁদাবাজি হয়, সেটা যে পক্ষ থেকেই হোক, সবকিছু ক্যামেরায় রেকর্ড থাকবে বলে জানান তিনি।
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পর্যাপ্ত সার্ভিস লেন না থাকা, ৯২টি বাস স্টপেজ বে না থাকা এবং ৬৬২টি ফিডার রোডের কারণে যান চলাচলে সমস্যা হয়। এ ছাড়া মহাসড়কসংলগ্ন ৩৬টি হাট-বাজার, ১২৬টি শিল্প কারখানা, ১০৩টি পেট্রোল পাম্প, ২৭টি বাসস্ট্যান্ড, ১০৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৩৮টি হাসপাতাল থাকায় ঝুঁকি তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শামসুর রহমান শিশুল বিশ্বাস, আজহারুল ইসলাম মান্নান, মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী ও মো. আলী হোসেন ফকির।