উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশে গত ২৭ দিন ধরে চলমান তীব্র গ্যাস সংকটে ব্যাহত হচ্ছে জনজীবন ও শিল্প উৎপাদন। অথচ এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল গ্যাস সরবরাহের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও সেখানে খালাস করার মতো কোনো কার্গো নেই। মূলত নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত ও অস্বচ্ছতার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়মতান্ত্রিক দরপত্র প্রক্রিয়া এড়িয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ৬টি এলএনজি কার্গো আমদানির ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটের চেয়ে কম মূল্যে সন্দেহভাজন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গ্যাস কেনার তদবির রক্ষা করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে কোনো কার্গো আসেনি। এর ফলে চরম সংকটে পড়েছে পুরো দেশ।
এই সংকট সামাল দিতে এখন তড়িঘড়ি করে স্পট মার্কেট থেকে জরুরি ভিত্তিতে ৫টি কার্গো কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের ফলে রাষ্ট্রকে অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করতে হবে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।
জ্বালানি খাতের এই বিপর্যয় এড়াতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি বন্ধ করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক মানের উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে গ্যাস আমদানি এবং দেশের অভ্যন্তরে নতুন গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দিতে হবে।