উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমের একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংস্কারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
সীমান্ত নিরাপত্তা ও পুশ-ইন প্রতিরোধে মন্ত্রণালয় অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ভারতের দেওয়া তালিকায় অসংগতি থাকায় যাচাই ছাড়া কাউকে গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সীমান্তে একতরফা কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে কূটনৈতিক নোট পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকেও পুশ-ইন বন্ধের বিষয়টি অগ্রাধিকার পেয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে ভূমিদস্যু ও সশস্ত্র অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রায় ৪ হাজার সদস্যের যৌথ অভিযানে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। রোহিঙ্গা শিবিরে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
মানবাধিকার সুরক্ষায় কারাগার ও আটককেন্দ্রগুলো তদারকির জন্য ‘ন্যাশনাল প্রিভেন্টিভ মেকানিজম’ (এনপিএম) বিভাগ গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি কারাগারসহ বিভিন্ন আটককেন্দ্রে আকস্মিক পরিদর্শন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে। পাশাপাশি শহীদ জিয়া হত্যা মামলার পলাতক আসামি মোজাফফর হোসেনকে ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিচার প্রক্রিয়ায় গতি আনতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি করা হচ্ছে। এর ফলে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ১৯ দিনে এবং মেহেরপুরের শিশু ধর্ষণ মামলার রায় ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। গত এক মাসে এ ধরনের ১০টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।