উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রাম নগরে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে দর্জিবিজ্ঞান ও এমব্রয়ডারি প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন একদল নারী। তবে প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন না থাকায় অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগাতে পারবেন কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তারা। বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের জন্য সেলাই মেশিনের ব্যবস্থা করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
সোমবার সকালে নগরের মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এক কর্মসূচি উদ্বোধনে গিয়ে জেলা প্রশাসক প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় সরকারি কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ‘স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশন’সহ কয়েকটি সংস্থা ২০ জন নারীকে নতুন সেলাই মেশিন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বিনামূল্যে সেলাই মেশিন পাওয়ার খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নাছরিন ফারজানার মতো সুবিধাভোগী নারীরা। তারা জানান, এখন ঘরে বসেই কাজ করে সংসারের আর্থিক টানাপড়েন মেটাতে পারবেন। জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া জরুরি, অন্যথায় প্রশিক্ষণের সার্থকতা থাকে না।
মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপপরিচালক আতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে পাঁচটি ট্রেডে মোট ১০০ জন নারী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। নারীদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে প্রশিক্ষকদের আরও পেশাদার ও পরিকল্পিত হওয়ার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক।