উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের ছয় মাস পূর্ণ করেছে। এই সময়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কিছু কর্মসূচি শুরু এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাকে সরকারের ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, অর্থনৈতিক চাপ এবং দলের সাংগঠনিক স্থবিরতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ক্ষমতার কেন্দ্র ঘিরে ব্যস্ততার কারণে বিএনপির মাঠের রাজনীতি অনেকটাই আড়ালে চলে গেছে। তৃণমূলের অনেক নেতা এখন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের সমর্থন পেতে ঢাকায় ভিড় করছেন। কেউ কেউ ব্যবসা-বাণিজ্য বা সরকারি সুযোগ-সুবিধার সন্ধানে সচিবালয়ে ঘুরছেন, যা দলটির সাংগঠনিক সক্রিয়তার জন্য বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, দল সরকারে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে দল সরকারে ঢুকে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অঙ্গসংগঠনগুলো ঢেলে সাজাতে না পারার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, এখন পুনর্গঠন ও জাতীয় সম্মেলনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে সতর্ক আছেন। তিনি সব সময় বলছেন, সরকারের কাজে দলের সহযোগিতা লাগবে, কিন্তু সরকারের ভেতরে দলকে ঢুকিয়ে দেওয়া যাবে না।
সরকারের প্রথম ছয় মাসে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবার কার্ড, কৃষক কার্ড ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তবে গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিচার ও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারের গতি এবং বিভিন্ন নিয়োগ নিয়ে বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের মধ্যে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে।