উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে বন্দি থাকাকালীন নব্য জেএমবির শীর্ষ বোমা বিশেষজ্ঞ বোমারু মামুনের সঙ্গে ওস্তাদ জুয়েল ও তার সহযোগীদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আইনি ফাঁকফোকর ব্যবহার করে মামুন ও জুয়েলসহ চক্রের শীর্ষ সদস্যরা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। কারাগার থেকে বের হয়েই তারা রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নতুন করে নব্য জেএমবির কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা করেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ আগস্ট রাতে ঢাকার সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় একটি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে সিটিটিসির বিশেষ দল। ওই বাসা থেকে মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরান নামের নব্য জেএমবির এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং প্রচুর পরিমাণে বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানতে পারে যে বোমারু মামুনের নির্দেশেই সেখানে বোমা তৈরির ল্যাব গড়ে তোলা হচ্ছিল।
তদন্তে আরও জানা যায়, ২০১৭ সালের পান্থপথের হোটেল ওলিও বিস্ফোরণ মামলায় মামুন অভিযুক্ত থাকলেও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আদালত থেকে খালাস পান। জামিনে মুক্তির পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে থেকে উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বোমা উদ্ধার ও নাশকতার পরিকল্পনার প্রেক্ষাপটে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।