উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশের রেলপথ নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই এবং নানা অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত রেলের সেবাদান বিঘ্নিত হয়ে চলেছে বহুকাল ধরে। অথচ রেলকে একটি সাশ্রয়ী ও ঝুঁকিমুক্ত গণপরিবহণ হিসাবে ধরা হয় এবং দূরযাত্রায় গরিব শ্রেণির মানুষ বেছে নেন রেলকেই। রেলের নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এর ধীরগতি এবং শিডিউল মেনে ট্রেন চালানোর যে ইতিহাস, তা এখন ছেঁড়াপাতা।
১৪০ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন ট্রেনের গতি এখন ৬৫ কিলোমিটারের এদিক-সেদিক এবং সারা দেশের বিভিন্ন রুটের চলন্ত ট্রেন পর্যবেক্ষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ৪৮০ কিলোমিটার যেখানে সময় লাগার কথা ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট, অথচ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছতেই সময় লাগছে প্রায় ৯ ঘণ্টা। ট্রেন ছাড়ার সময়েরও কোনো ঠিক নেই এবং বিলম্বিত যাত্রা শুরু এখন এক অলিখিত নিয়ম।
অথচ রেলপথ এবং ইঞ্জিন-কোচ সংস্কারের জন্য খরচ করা হয়েছে এবং হচ্ছে শত শত কোটি টাকা। যাত্রীদের সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া, যাত্রীদের সেবা এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা-এ তিন প্রধান কাজের কোনোটাই প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয় এখন। প্রত্যাশিত সেবাই যদি পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে সরকারি মালিকানার অর্থ কী এবং রেলকে মানবসেবার উপযোগী পরিবহণ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করুন কিংবা এটাকে দিয়ে দিন বেসরকারি খাতে।