উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা এবং বিমানবন্দর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ রেয়াতি ট্যারিফ নির্ধারণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসাথে লং রুট ফ্লাইটের বিরতির ক্ষেত্রে যাত্রী নেয়া ও নামানোর সুবিধা প্রদান এবং ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে লং হল ফ্লাইটের জন্য ট্রানজিট ও রিফুয়েলিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার অনুরোধ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি’র কাছে এই জরুরি পত্র পাঠিয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রেরিত পত্রে তিনি বিমানবন্দরের সংলগ্ন এলাকায় কার্গো ভিলেজ ও আইসিডি বা সিএফএস স্থাপন করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ ও বাজেট বরাদ্দের অনুরোধ জানিয়েছেন।
চেম্বার সভাপতি পত্রে উল্লেখ করেন যে প্রয়োজনে ব্যবসায়ীরা পিপিপি বা বিওও বা বিওওটি পদ্ধতির আওতায় উক্ত অবকাঠামো সুবিধা নির্মাণে সক্ষম এবং আগ্রহী। তিনি আরও বলেন যে ২০৩৪ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করা এবং চট্টগ্রামকে রিজিওনাল বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকারের যে স্বপ্ন ও পরিকল্পনা তা বাস্তবায়নে সর্বদা ব্যবসায়ীদের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে। দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর, বৃহৎ পাইকারি বাজার, একাধিক বৃহৎ রফতানি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ দেশের অধিকাংশ শিল্প-কারখানা এ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় চট্টগ্রাম দেশের অতীব গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ কেন্দ্র হিসেবে পরিগণিত।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং প্রয়োজনীয় প্রায় সকল অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও চলমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিবেচনায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণ সক্ষমতার ব্যবহার আজ অব্দি নিশ্চিত করা হয়নি। অথচ বর্তমান সক্ষমতায় আরও অধিক যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিং, ট্রানজিট এবং কানেক্টিং ট্রাফিক আকর্ষণের সুযোগ এই বিমানবন্দরের রয়েছে। সর্বোপরি, ঢাকাকেন্দ্রিক এভিয়েশন ট্রাফিকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ও চাপ কমানোর পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে ইস্ট-ওয়েস্ট অ্যাভিয়েশন এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড লজিস্টিকস গেটওয়ে বা ব্রিজিং পয়েন্ট হিসেবে পরিণত করার পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। মোংলা বন্দরের স্ট্র্যাটেজিক মাস্টার প্ল্যানে চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় হ্রাসকৃত ট্যারিফ নির্ধারণ করার উদাহরণ টেনে ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রাম বিমানবন্দরেও প্রণোদনামূলক বা রেয়াতি ট্যারিফ নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।