উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাংলাদেশের অর্থায়ন কাঠামোকে নতুনভাবে সাজাতে এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলতে বিকল্প অর্থায়নের উৎস খুঁজছে সরকার। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বাইরে নতুন অর্থায়নের উৎস অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জেপি মরগান ও গোল্ডম্যান স্যাকসের মতো বড় বিনিয়োগ ব্যাংক বাংলাদেশে আগ্রহ দেখিয়েছে। আজ রোববার দুপুরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের অনেক ব্যাংক বর্তমানে গভীর সঙ্কটে রয়েছে এবং মারাত্মক মূলধন ঘাটতি, অর্থপাচার ও উচ্চ খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে। বাজেট থেকে বিপুল অর্থ দিয়ে সব ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয় বলে সরকারি সহায়তা ও উদ্ধার তহবিলের সমন্বয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের করব্যবস্থার জটিলতা ও আমলাতান্ত্রিক হয়রানি দূর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে দুটি অংশে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ নীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, এ প্রক্রিয়া তদারকির জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই একটি ওয়েবসাইট চালু করা হবে। তৈরি পোশাকের বাইরে অন্য রফতানিমুখী শিল্পের উদ্যোক্তাদের শুল্কমুক্ত বন্ডেড লাইসেন্স দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের সিইও মো মাহবুব উর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ব্যাংকিং খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে পুঁজিবাজার ও বিকল্প উৎসের মাধ্যমে অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন অর্থমন্ত্রী।