উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ভারতকে বুঝতে হবে যে, বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও সমমর্যাদার প্রতিবেশী হিসাবে বিবেচনা করে নিজেদের ভূখণ্ড থেকে এখানে অস্থিরতা ছড়াতে পারে-এমন যে কোনো তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করা জরুরি। তা না হলে সাধারণ মানুষের মাঝে তৈরি হওয়া দ্বিধা ও অবমূল্যায়নের অনুভূতি দূর করা সম্ভব হবে না। একইসঙ্গে, ঢাকার পক্ষ থেকেও কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট ও পেশাদার মাত্রা বজায় রাখা দরকার।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক অবস্থানই যেখানে একটি পারফেক্ট রেসপন্স হিসাবে কাজ করছে, সেখানে রাজনীতিক বা দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত বাক্যযুদ্ধ পরিস্থিতিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। মাত্রাতিরিক্ত রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া অনেক সময় উদ্ভূত পরিস্থিতিকে সংবেদনশীল করার পাশাপাশি যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাকেই অযাচিত গুরুত্ব এনে দেয়। ভুলে গেলে চলবে না, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কোনো ব্যক্তিবিশেষের রাজনীতির ওপর নির্ভর করতে পারে না।
বর্তমান সংকট এড়াতে সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে দিল্লিকে কার্যকর রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা প্রদর্শন করতে হবে। ঢাকাকেও অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিষয়টি সুরাহার ওপর জোর দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, পারস্পরিক মর্যাদা ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কোচিত দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে যদি এ জটিলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব না হয়, তবে আঞ্চলিক সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।