উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রায় ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও জাতীয় সংসদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বিএনপির প্রার্থীর জয় প্রায় নিশ্চিত হলেও বিরোধী দল জোট প্রার্থী দেওয়ায় পুরো প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক বার্তা ও কৌশল যুক্ত হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট নম্বরপত্র জমা, যাচাই-বাছাই ও ১৮ আগস্ট প্রত্যাহারের শেষ দিন রাখা হয়েছে। একাধিক প্রার্থী থাকলে ২০ আগস্ট সংসদকক্ষে ভোট গ্রহণ হবে। বিএনপি তাদের প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম প্রায় চূড়ান্ত করলেও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করেছে।
এর আগে ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর সর্বশেষ সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন বিএনপির আবদুর রহমান বিশ্বাস। সে সময় আওয়ামী লীগ সাবেক প্রধান বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে প্রার্থী করেছিল। ৩৩০টি আসনের বিপরীতে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন এবং বদরুল হায়দার চৌধুরী পান ৯২ ভোট।
১৯৯১ সালের ওই প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর পরবর্তীতে ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৩, ২০১৮ এবং ২০২৩ সালের নির্বাচনগুলোতে একক প্রার্থী থাকার কারণে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় নতুন এই নির্বাচনপ্রক্রিয়া শুরু হলো।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৭৮, ১৯৮১ ও ১৯৮৬ সালে সরাসরি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে সংসদীয় ব্যবস্থা চালুর পর রাষ্ট্রপতির পদটি প্রধানত সাংবিধানিক ও অলংকারিক পদে পরিণত হয়, যেখানে সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমেই পাঁচ বছরের জন্য দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হয়।