উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে উচ্চ অভিবাসন ব্যয় এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের ঘাটতি বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের আগামী পাঁচ বছরে বিদেশে এক কোটি কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা সফল করতে হলে এই অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সাম্প্রতিক শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশে শিক্ষার স্তর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেকারত্বের হারও বাড়ছে। প্রাথমিক শিক্ষাপ্রাপ্তদের মধ্যে বেকারত্বের হার ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রাপ্তদের মধ্যে ২ দশমিক ৯১ শতাংশ হলেও উচ্চশিক্ষিতদের ক্ষেত্রে তা ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশে পৌঁছেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বে বাংলাদেশি পুরুষ কর্মীদের বিদেশে যেতে গড়ে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ ডলার বা ৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকার বেশি ব্যয় করতে হয়, যা প্রায় ১৫ মাসের আয়ের সমান। আর সৌদি আরবের ক্ষেত্রে এই ব্যয় প্রায় ২০ মাসের আয়ের সমান। প্রতিবেশী ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশের এই খরচ চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি।
বহুস্তরবিশিষ্ট নিয়োগ ব্যবস্থা ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের কারণে সরকারের নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে কর্মীদের কয়েক গুণ বেশি অর্থ গুনতে হয়। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন ২০১৩ অনুযায়ী বিমানভাড়া নিয়োগকর্তার দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে সেই পুরো বোঝা অভিবাসীকর্মীদের ওপরই চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।