উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশে রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও মাদকের মূল সিন্ডিকেটের চরিত্রে কোনো পরিবর্তন আসেনি। টেকনাফ থেকে শুরু করে রাজধানীর অলিগলি পর্যন্ত বিস্তৃত মাদকের সাপ্লাই চেইন এখনো অক্ষত রয়েছে, কেবল সরকার ও স্থানীয় নিয়ন্ত্রকদের হাতবদল হয়েছে।
মাঠপর্যায়ের ছোটখাটো মাদক কারবারিদের গ্রেফতার করা হলেও মূল রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকরা সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। এই কারবারের অর্থ সন্ত্রাসী বাহিনী লালন এবং রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখার পেছনে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা জাতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের।
মাদকের বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলতে হলে অভিযানকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করতে হবে। কেবল খুচরা বিক্রেতা বা বাহকদের নয়, আড়ালে থাকা মূল গডফাদার ও অর্থ জোগানদাতাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।
সীমান্ত এলাকা, বিশেষ করে টেকনাফসহ অন্যান্য রুট এবং বিমানবন্দরে আধুনিক স্ক্যানার ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করতে হবে। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অসাধু সদস্যদের ওপর কঠোর নজরদারি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে জড়িত কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার অঙ্গীকার থাকতে হবে।