উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ইসলামে শ্রমকে কেবল জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম নয়, বরং ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। একজন মানুষ তার কর্মক্ষেত্রে অর্পিত দায়িত্ব যদি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করেন, তবে তিনি মহান আল্লাহর কাছে উচ্চ মর্যাদা লাভ করেন। এতে শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও ফাঁকিবাজিকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ইসলামী বিধান অনুযায়ী একজন শ্রমিকের প্রধান কর্তব্য হলো চুক্তির শর্ত মেনে নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পাদন করা। কাজের সময়, মান এবং সততা বজায় রাখা শ্রমিকের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। এ বিষয়ে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ ওই শ্রমিককে ভালোবাসেন, যে সুন্দরভাবে কাজ সম্পন্ন করে।’ (সহিহুল জামে ১৮৯১)।
তবে বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বে অবহেলার প্রবণতা দেখা যায়। অনেকে নির্ধারিত কাজ ঠিকভাবে না করেও উপস্থিতির খাতায় স্বাক্ষর করে পূর্ণ বেতন গ্রহণ করেন। ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী এটি আমানতের খেয়ানত এবং অন্যের অধিকার নষ্ট করার শামিল, যা পরকালে ভয়াবহ বিচারের সম্মুখীন করতে পারে।
পক্ষান্তরে যারা সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তাদের জন্য বিশেষ সুসংবাদ রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তিন শ্রেণির লোককে দ্বিগুণ সওয়াব প্রদান করা হবে। তাদের মধ্যে এক শ্রেণি হলো ওই শ্রমিক, যে নিজের মালিকের হক আদায় করে এবং আল্লাহর হকও আদায় করে।’ (মিশকাতুল মাসাবিহ ১১)। ফলে অর্পিত দায়িত্বকে পবিত্র আমানত হিসেবে পালন করলে দুনিয়ায় রিজিকে বরকতের পাশাপাশি আখেরাতেও মহা পুরস্কার মিলবে।