উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নেভাদার একটি গবেষণায় দেখা গেছে, রাত জেগে পড়ার চেয়ে ভোরবেলার পড়াশোনা অনেক বেশি উপকারি ও কার্যকর। যে শিক্ষার্থীরা রাতে না জেগে পর্যাপ্ত ঘুমায় এবং সকালে পড়াশোনা সারে, পরীক্ষার ফলাফলে তারা রাত জাগা শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেক ভালো করে।
গবেষকদের মতে, রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর পর সকালে মানুষের মস্তিষ্ক সবচেয়ে সতেজ ও সক্রিয় থাকে। রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে মস্তিষ্কে মেমোরি কনসোলিডেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাময়িক স্মৃতি দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতিতে রূপান্তরিত হয়। ফলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মস্তিষ্ক নতুন তথ্য দ্রুত মুখস্থ ও অনুধাবন করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে।
বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যামতে, মানবদেহের সার্কাডিয়ান রিদম বা প্রাকৃতিক ঘড়ি অনুযায়ী দিনের প্রথমভাগে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন হরমোনের নিঃসরণ বেশি হয়, যা মনোযোগ ও সতর্কতা বাড়ায়। অন্যদিকে রাতে মেলাটোনিন বাড়ায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়। এছাড়া কগনিটিভ সায়েন্স অনুযায়ী সকাল ৫টা থেকে ৮টার মধ্যে মস্তিষ্কের বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা শীর্ষে থাকে।
ভোরবেলায় ফেসবুক বা মেসেঞ্জারের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন ও বাহ্যিক বিভ্রান্তি থাকে না বললেই চলে। এই নিস্তব্ধ পরিবেশে গভীর মনোযোগ বা ডিপ ওয়ার্ক করা সহজ হয়। তাই গণিত, পদার্থবিজ্ঞান বা যেকোনো নতুন ও জটিল তত্ত্ব বোঝার জন্য ভোরবেলাকে সবচেয়ে সেরা সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।