উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর নির্মম নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে গত ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে একটি জোরালো ঘোষণা পাঠ করা হয়। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুল হক, পিএসসি (অব.) এবং দেশি-বিদেশি অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্যোগে এই ঘোষণা সারা দেশে অগ্নিস্ফুলিঞ্জের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
ঘোষণায় বলা হয়, কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সরকার হিংস্র ও রক্তাক্ত পথ বেছে নেয়। ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আধুনিক অস্ত্র সুসজ্জিত বাহিনী নিরীহ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচার আক্রমণ চালায়।
অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সংবিধান ও আইন উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতার ওপর দেখামাত্র গুলির নির্দেশ সম্পূর্ণ অবৈধ ও জনবিরোধী। তাই অবিলম্বে সামরিক বাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া এবং গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
এই ঐতিহাসিক আহ্বানের ফলে সামরিক বাহিনী জনগণের পক্ষে অবস্থান নেয় এবং লাখো-কোটি মানুষ রাজপথে নেমে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৃতীয় স্বাধীনতা অর্জন করে। দেশের মালিক যে জনগণ, কোনো ব্যক্তি নয়—এই বার্তা দিয়ে সেদিন ঘোষণাটি সমাপ্ত হয়েছিল।