উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি নতুন সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা নিয়েছে ফিফা। এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ, টিকিট বিক্রি ও লাইসেন্সিংসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক বিষয় পরিচালিত হবে। ফিফা এই নতুন প্রতিষ্ঠানের একটি ক্ষুদ্র অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যায়নে বিক্রি করে ৪.২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বাণিজ্যিক অংশীদার যুক্ত হলেও প্রতিযোগিতার নিয়ন্ত্রণ ও নীতিনির্ধারণী সব ক্ষমতা পুরোপুরি ফিফার হাতেই থাকবে। এই পরিকল্পনা কার্যকর করতে ২১১টি সদস্য দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন।
বর্তমান ‘ফিফা ফরোয়ার্ড’ কর্মসূচি অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি সদস্য ফেডারেশন ৮ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে নতুন পরিকল্পনাটি পাস হলে সদস্য দেশগুলো শুরুতেই ঐচ্ছিক সুবিধা হিসেবে ২০ মিলিয়ন ডলার পেতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে ২০২৭-৩০ মেয়াদে আরও ২০ মিলিয়ন ডলার, ২০৩১-৩৪ মেয়াদে ২২ মিলিয়ন ডলার এবং ২০৩৫-৩৮ মেয়াদে ২৪ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। সব মিলিয়ে একটি সদস্য ফেডারেশন সর্বোচ্চ ৮৬ মিলিয়ন ডলার বা ৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার অর্থায়নের সুযোগ পাবে।
ফিফার অনুদাননির্ভর বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য এই অর্থ ফুটবল অবকাঠামো, আধুনিক প্রশিক্ষণ, বয়সভিত্তিক দল গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নিজেদের এই পরিকল্পনার ইতিবাচক দিক তুলে ধরতে ফিফা কেপ ভার্দে ও কুরাসাওয়ের উদাহরণ দিয়েছে। সংস্থাটির দাবি, এই কর্মসূচির অর্থায়ন দেশ দুটির ফুটবল উন্নয়নে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সক্ষমতা বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে।