উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মুজাফফর হোসেনের সন্দেহজনক ফেইসবুক যোগাযোগের তথ্য চেয়ে মেটা কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগ। বিশেষ করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা কয়েকটি ফেইসবুক আইডির সঙ্গে তার কথোপকথনের বিষয়ে এই তথ্য চাওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জানান, গত সপ্তাহে নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে মেটার কাছে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের স্বার্থে ১২ ধরনের তথ্য সংরক্ষণের অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সন্দেহভাজন অ্যাকাউন্টের সাবস্ক্রাইবার তথ্য, ই-মেইল, ফোন নম্বর, লগইন ইতিহাস, আইপি ঠিকানা, লোকেশন ডেটা এবং মুছে ফেলা বার্তা। ২০২৪ সালের পুরনো তথ্য হওয়ায় এগুলো পেতে তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে।
তদন্তে দেখা গেছে, মুজাফফর যেসকল আইডির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন সেগুলোর পেছনে থাকা ব্যক্তিদের আওয়ামী লীগের মূল পেইজের এডিটর বা অ্যাডমিন হিসেবে যুক্ত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া মুজাফফরের একটি ই-মেইল ঠিকানার মাধ্যমে চারটি ডিভাইসে লগইনের তথ্য মিলেছে। মেটার কাছ থেকে ভৌগোলিক অবস্থানের তথ্য পেলে ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে মুজাফফরের কোনো যোগাযোগ হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, সাবেক মেজর মুজাফফরকে গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার করে ১৬ জুলাই মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ২৩ জুলাই ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়। ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলমান অন্যান্য তদন্ত থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজন মনে হলে তাকে পরবর্তীতে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।