উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার
ফলাফল যেন এবার আনন্দের চিরচেনা ছবিটাই বদলে দিয়েছে। ফল প্রকাশের দিন শহরের
মিষ্টির দোকানগুলোতে নেই শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড়, নেই মিষ্টি বিতরণের ধুম। চারদিকে
আনন্দ-উচ্ছ্বাসের বদলে কেবলই হতাশার ছায়া।
উপজেলার ছয়টি কলেজের সম্মিলিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা
যায়, মোট
১ হাজার ৬৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৪৪৭ জন। পাসের হার ৪১ দশমিক ৮৫
শতাংশ, যেখানে
অকৃতকার্য হয়েছেন ৬২১ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ২৩ জন। যশোর শিক্ষা
বোর্ডে যেখানে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২
শতাংশ, সেই তুলনায় কোটচাঁদপুরের পাসের হার ৩.০৭ শতাংশ
পয়েন্ট কম। এই ফল বিপর্যয় উপজেলার সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ, শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পাঠদান ও
শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
শিক্ষকদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় অনীহা, ক্লাসে অনুপস্থিতি এবং পর্যাপ্ত
অনুশীলনের অভাব এই বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। তবে অভিভাবকেরা শুধু শিক্ষার্থীদের দায়ী
না করে কলেজের পাঠদানের মান ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এই ফলাফলের নেতিবাচক
প্রভাব পড়েছে অতিরিক্ত পাঠদানকারী শিক্ষক ও হাউস টিউটরদের ওপরও। সচেতন মহলের মতে, এই নীরবতা কাটাতে এবং আগামীতে
মিষ্টির দোকানে আনন্দের ভিড় ফিরিয়ে আনতে শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই কলেজ কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত ও
কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।