উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে দেশের ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান সয়াবিন তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পাঁয়তারা শুরু করেছে। রমজান আসতে এখনো প্রায় সাড়ে তিন মাস বাকি থাকলেও দুই মাস না যেতেই লিটারপ্রতি সয়াবিন তেলের দাম আরও ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে তাদের সংগঠন। সরকারের পক্ষ থেকে এতে সম্মতি না দেওয়া সত্ত্বেও খুচরা বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে ১৫ টাকা বেশি দরে তেল বিক্রি হচ্ছে, যা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) তথ্যমতে, দেশের ভোজ্যতেলের বাজারের প্রায় ৯০ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করে চার থেকে পাঁচটি বৃহৎ কোম্পানি। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে কোম্পানিগুলো দেশীয় বাজারে দাম বাড়ানোর এই পাঁয়তারা করছে এবং আমদানির পাইপলাইনে পর্যাপ্ত পণ্য থাকা সত্ত্বেও ডিলার ও খুচরা পর্যায়ে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে এই মুহূর্তে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই এবং রমজানে পণ্যের কোনো ঘাটতি হবে না। বাজার সিন্ডিকেটগুলো যাতে পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেজন্য জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করতে হবে। অসাধু সিন্ডিকেটের যে কোনো অসদুপায় রুখে দিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে সরকার ও প্রশাসনকে এখনই কঠোর হাতে ব্যবস্থা নিতে হবে।