উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জাপান বরাবরই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সুনির্দিষ্ট হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করে থাকে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশটি বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করে। এছাড়া আগস্টে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক এবং এ ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই রাষ্ট্রীয় সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগামী বছর জ্বালানি, অবকাঠামো ও আইসিটি খাতে ১ ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন বেসরকারি বিনিয়োগের প্রত্যাশা করা হয়েছে। এটি বাস্তবে রূপ নিলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ত্বরান্বিত হবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে জাপান ৫০ বিলিয়ন ইয়েনের জরুরি ঋণ সহায়তা প্রদান করবে।
ছয়টি বিভাগীয় শহরকে যুক্ত করে দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্ক নির্মাণ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন বাংলাদেশের উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটাবে। আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণে বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব এবং মহাকাশ গবেষণায় জাপানি সহযোগিতা গ্রহণের সিদ্ধান্ত তরুণ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দেবে।
জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী ও উন্নয়ন অংশীদার এবং টোকিও শীর্ষ বৈঠক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির এক বড় সাফল্য। এই ঐতিহাসিক অংশীদারত্বকে সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশ ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি অর্জনের পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।