উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রিন্ট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ এএম এবং প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম। চাঁদাবাজির মাত্রা এত বেড়েছে যে, কারও কারও কাছে তা অবিশ্বাস্য মনে হয় এবং এর পৌনঃপুনিকতাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চাঁদা না দেওয়ায় খুলনার সন্ধানী ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় এক রাউন্ড গুলিও চালানো হয় এবং একই রাতে নগরীর টুটপাড়া গাছতলা মন্দিরের সামনে সনাতন ধর্মের এক দোকানিকে গুলি করা হয়।
এ দুই ঘটনায় সমগ্র খুলনা নগরীতে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আতঙ্কের কারণে তারা চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে বলতে চাইছেন না, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাকেই নির্দেশ করে।
বিগত আওয়ামী শাসনামলে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এর মাত্রা ও পরিমাণ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দল থেকে বিপুলসংখ্যক কর্মীকে চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কারও করেছিলেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর মূল নেতৃত্ব চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও তৃণমূল পর্যায়ে পরিস্থিতির উন্নতি করা যাচ্ছে না এবং দলের নাম ভাঙিয়েও দুর্বৃত্তরা চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারকে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবশ্যই জিরো টলারেন্স নীতি নিতে হবে এবং কঠোর হওয়ার বিকল্প নেই।