উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
পার্বত্য অঞ্চলে বিদেশি ইন্ধনে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি স্পষ্ট জানান, পাহাড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনো চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না এবং রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে রুমিন ফারহানা এখন প্রতিপক্ষের ভাষায় কথা বলছেন।
আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঝিনাইদহ শহরের পাবলিক হেলথ জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, প্রতিবেশী একটি দেশের আশ্রয়ে ও সহায়তায় পাহাড়ের কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ ও নিরীহ মানুষ শান্তি চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, গুজব ছড়িয়ে ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি করার কোনো অপচেষ্টা সরকার বরদাশত করবে না।
বক্তব্যের একপর্যায়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ার পর থেকেই রুমিন ফারহানা রাজনৈতিকভাবে ছিটকে পড়েছেন। তিনি এখন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সুরেই কথা বলছেন। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি থানায় গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাকে ‘চোর’ আখ্যা দিয়ে তিনি যে মব বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন, তা তাঁর রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব প্রকাশ করে।
এদিকে বিএনপি ভারতের সঙ্গে আঁতাত করছে— জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের এমন বক্তব্যের কড়া জবাব দেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, জামায়াত নেতারা প্রতিনিয়ত মিথ্যাচারের রাজনীতি করছেন। অথচ দেশবাসী জানে নির্বাচনের আগে রাতের আঁধারে কারা বিদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছিল। একই সাথে জামায়াত-এনসিপির খুলনা বিভাগীয় লংমার্চ কর্মসূচির কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণে কোনো কাজ না করায় সাধারণ মানুষ তাদের এসব কর্মসূচি প্রত্যাখ্যান করেছে।
ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময়কালে ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) জেলা সভাপতি ডা. মো. হাসানুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।