উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে আদালতভিত্তিক জমি সংক্রান্ত মামলার জের ধরে বাদীর বসতবাড়িতে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর এবং পরিবারটিকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার জোড়াদহ গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জোড়াদহ গ্রামের টুটুল হাসানের সঙ্গে প্রতিপক্ষের পৈতৃক জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। উক্ত বিষয়ে আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মামলায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষের ২০-৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল আজ বিকেলে আকস্মিকভাবে টুটুল হাসানের বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালায়।
হামলাকারীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্মাণাধীন বাড়ির টিন কুপিয়ে তছনছ করে এবং বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী ছড়িয়ে ছিটিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে।
হামলা চলাকালে ঘরের টিন ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাদীর ভাই আলমগীর হোসেন। ক্ষোভ ও আকুতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, “পৈতৃক জমি রক্ষায় আইনের আশ্রয় নেওয়াই কি আমাদের অপরাধ? তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাদের নির্মাণাধীন ঘরবাড়ির টিন কুপিয়ে ছাতু করে দিয়েছে। প্রকাশ্যে অনবরত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আমরা এর বিচার কার কাছে চাইব?”
মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী টুটুল হাসান বলেন, “মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও বিবাদীরা পরিকল্পিতভাবে ২০-৩০ জন লোক নিয়ে আমাদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে। পুরো বাড়িঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে গেছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছি। আমি এই বর্বরোচিত হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছি।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হরিণাকুণ্ডু থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হামলার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংবাদ পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। লিখিত অভিযোগ সাপেক্ষে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।